টিক টক করে নারী পাচার

টিক টক করে নারী পাচার

Uncategorized

সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশ, দু’দেশে ভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে একটি বড় নারী পাচার চক্র ধরা পড়লো। জানা গেছ,এই চক্র নাকি টিকটক এ্যাপের মাধ্যমে তাদের ভিকটিমদের চিহ্নিত করতো। এমনকি চক্রের হোতার নামও নাকি ‘টিক টক রিদয়’ (যদিও তার নাম হয়তো হৃদয় হওয়া উচিত, না কি?)।

নামের বানান যাই হোক, তাদের ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও দেখেই ভারতীয় পুলিশ তাদের শনাক্ত করে ব্যাঙ্গুলুরুতে তাদের আটক করতে পেরেছিল। সে বিষয় দিয়ে আজ শুরু করছি, লিখেছেন ঝিনাইদহ থেকে কাজী সাঈদ:

”ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরেই ভারত এবং বাংলাদেশের পুলিশ বলতে গেলে একটি আন্তঃ মহাদেশীয় নারী চোরাচালান কারবারের সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই পাকড়াও প্রশংসার দাবি রাখলেও কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। এতবড় একটা গ্রুপ, যাদের ডালপালা বিস্তৃত বাংলাদেশ, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য সহ কয়েকটি দেশে, তাদেরকে ধরতে এতদিন সময় লাগল কেন?

”এই ভিডিও ভাইরাল না হলে তারা কি আদৌ খবরে আসত কখনো? সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিচারের আওতায় আসছে অনেক বড় বড় রুই কাতলা। তাহলে কি ধরে নেওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়া আইনশৃঙ্খলা আর বিচারের ক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে?”আনতে যাচ্ছে বললে ভুল বলা হবে মি. সাঈদ। আমার তো মনে হয় ইতোমধ্যে এনে ফেলেছে। বাংলাদেশে সম্প্রতি কয়েকটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচারে সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে। এমনকি আমেরিকায় আমরা সম্প্রতি দেখলাম জর্জ ফ্লয়েড হত্যা মামলায় পথচারীর করা ভিডিও কত শক্তিশালী ভূমিকা রাখলো।

বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন মিজানুর রহমান আযহারী ভিডিওটি দেখুন এবং আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইক করুন

তবে আপনার প্রথম প্রশ্নটি অনেকের মনেই ঘুরপাক খাবে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে কীভাবে তারা এতদিন দু’তিন সীমান্ত পার হয়ে পাচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল? সোশাল মিডিয়াতে তাদের ভিডিও না ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ হয়তো জানতোই না।

”বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে “তিন কাশ্মীরি যুবকের ঘটনায় ভারতের ব্যাখ্যা চান জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা” শীর্ষক শুভজ্যোতি ঘোষের প্রতিবেদনটি পড়লাম এবং রাতের পরিক্রমা অনুষ্ঠানে শুনলাম। স্বভাবতই এর কোন প্রত্যুত্তর ভারত সরকার দেয়নি।

 ফলে তিনজন কাশ্মীরি যুবকের চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রায় দু’মাস অপেক্ষা করার পর তাদের সেই চিঠি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন, জাতিসংঘের উক্ত বিশেষজ্ঞ দলের পরবর্তী করণীয় কী? এরা কী ভারত সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে কোন কিছু আদায় করার ক্ষমতা রাখে?”

আরও খবর জানতে ক্লীক করুন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *